Chapter 9
ভারতের জলবায়ু
সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর [TYPE-I]
1. শীতকালে ভারতের কোন্ কোন্ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়?
উত্তরঃ শীতকালে ভারতের মাত্র দুটি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়। এই দুটি অঞ্চল হল-(i) উত্তর-পশ্চিম ভারত (হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মীর) এবং (ii) ভারতের পূর্ব উপকূলের দক্ষিণাংশ বা করমণ্ডল উপকূল বা তামিলনাড়ু উপকূল।
2. ভারতের কোন্ কোন্ অংশে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ 200 সেমির বেশি?
উত্তরঃ ভারতে পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল বা পশ্চিম উপকূল ভূমি, পূর্ব হিমালয়, মিজোরাম, উত্তরবঙ্গ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ প্রভৃতি এলাকায় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ 200 সেন্টিমিটারের বেশি।
3. দুটি ভিন্ন ঋতুতে হয় এমন দুটি ঝড়ের নাম লেখো।
উত্তরঃ দুটি ভিন্ন ঋতুর ঝড় হল—
(i) দুটি ভিন্ন ঋতুর ঝড় হল— গ্রীষ্মকালে নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ যে ঝড়-বৃষ্টি হয় পশ্চিমবঙ্গে, তাকে কালবৈশাখী বলা হয় এবং
(ⅱ) আশ্বিন মাসে অর্থাৎ শরৎকালে ভারতের পূর্ব উপকূল অঞ্চলে যে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গে সেটি আশ্বিনের ঝড় নামে পরিচিত।
4. 'আশ্বিনের ঝড়' কাকে বলে?
উত্তরঃ শরৎকালে অর্থাৎ অক্টোবর-নভেম্বর মাসে যখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত থেকে প্রত্যাগমন করে, তখন বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের ওপর শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়, যা উত্তরমুখী হয়ে বঙ্গোপসাগরীয় উপকূলের রাজ্যগুলির ওপর প্রবল ঝড়-বৃষ্টি-সহ আছড়ে পড়ে। একে বলে সাইক্লোন। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে প্রধানত আশ্বিন মাসে এই সাইক্লোন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আবির্ভাব ঘটে, তাই এখানে এটি আশ্বিনের ঝড় নামে পরিচিত।
5. জলবায়ু অঞ্চল কাকে বলে?
উত্তরঃ জলবায়ুর দুই প্রধান উপাদান-উন্নতা ও বৃষ্টিপাত দ্বারা জলবায়ু অঞ্চল নির্ণয় করা হয়। তাই জলবায়ু অঞ্চল বলতে এমন একটি অঞ্চলকে বোঝায়, যেখানে সর্বত্র উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের মধ্যে একটা সমতা বা সমভাব বজায় থাকে।
বৈশিষ্ট্য: (i) জলবায়ু অঞ্চল খুব বড়ো হয়।
(ii) জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত ছাড়াও আবহাওয়ার অন্যান্য উপাদানগুলির মধ্যেও একটা সমতা থাকে।
6. মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?
উত্তরঃ পৃথিবীতে যত ধরনের সাময়িক বায়ু প্রবাহিত হয় তাদের মধ্যে মৌসুমি বায়ু সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে। মৌসুমি কথাটির উৎপত্তি আরবি শব্দ মৌসিম থেকে, যার অর্থ ঋতু। সুতরাং, ঋতু অনুসারে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকেই বলে মৌসুমি বায়। শ্রেণিবিভাগ: ভারতে দুটি বিপরীতধর্মী মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়—
(i) গ্রীষ্মকালে আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং
(ii) শীতকালে শুষ্ক উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়।
7. ভারতের কোন্ কোন্ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয়?
উত্তরঃ ভারতের কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলগুলি হল— (i) রাজস্থান ও গুজরাতের মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল, (ii) জম্মু ও কাশ্মীরের লাডাক মালভূমি এবং (iii) দাক্ষিণাত্য মালভূমির অভ্যন্তরভাগ।
৪. মেঘালয়ে অতিবৃষ্টির কারণ কী?
অথবা, মৌসিনরাম পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল স্থান হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ অবস্থানঃ মেঘালয় মালভূমির দক্ষিণ দিকে বাংলাদেশের সুরমা উপত্যকা। এই উপত্যকা থেকে মালভূমি খুব খাড়াভাবে ওপরে উঠে গেছে। এজন্য মালভূমিটির দক্ষিণ দিকের ঢাল খুব খাড়া। অতিবৃষ্টির কারণ: একারণেই আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বঙ্গোপসাগরীয় শাখাটি সুরমা উপত্যকা-সহ বাংলাদেশের সমভূমি অতিক্রম করে পূর্ব হিমালয় ও উত্তর-পূর্ব ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিহত হওয়ার আগেই মেঘালয় মালভূমির দক্ষিণ দিকের খাড়া ঢালে এসে বাধা পেয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই খাড়া ঢালে অবস্থিত মৌসিনরামে (চেরাপুঞ্জির কাছে) পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়।
9. পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল অঞ্চলের নাম কী?
উত্তরঃ মেঘালয় রাজ্যের দক্ষিণভাগে চেরাপুঞ্জির নিকটে অবস্থিত মৌসিনরাম হল পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল অঞ্চল। এখানে বার্ষিক প্রায় 1187 সেন্টিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়।
10. খরা কাকে বলে?
উত্তরঃ স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হলে বা অনেকদিন ধরে বৃষ্টি না হলে যে অস্বাভাবিক শুষ্ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তাকে খরা বলে। বৃষ্টিপাত যদি স্বাভাবিক হারের চেয়ে 25% কম হয়, তাকে মৃদু খরা, 50% কম হলে মাঝারি খরা এবং 75% কম হলে, তাকে তীব্র খরা বলে। প্রভাব: খরার ফলে তীব্র জলাভাব দেখা দেয়। এর ফলে কৃষি, সেচ ও পানীয় জলের প্রাপ্যতার ওপর ভীষণভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
11. ভারতের সর্বাধিক ও সর্বনিম্ন বর্ষণসিক্ত অঞ্চল দুটি কোথায় কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ (i) মেঘালয়ের খাসি পাহাড়ের দক্ষিণ ঢাল ভারতের সর্বাধিক বর্ষণসিক্ত অঞ্চল। এখানে অবস্থিত মৌসিনরাম (চেরাপুঞ্জির কাছে) ভারতের সর্বাধিক বর্ষণসিক্ত স্থান। (ii) পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে আরব সাগরীয় উপকূল অঞ্চল ও পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশ অঞ্চল ভারতের দ্বিতীয় সর্বাধিক বর্ষণসিক্ত অঞ্চলের অন্তর্গত।
রাজস্থানের মরু অঞ্চল বা মরুস্থলী। এ ছাড়া, জম্মু ও কাশ্মীরের লাডাক মালভূমিও সর্বনিম্ন বর্ষণসিক্ত অঞ্চলের অন্তর্গত।
12. শীতকালে তুষারপাত হয় ভারতের এমন দুটি স্থানের নাম লেখো।
উত্তরঃ শীতকালে তুষারপাত হয় ভারতের এমন দুটি স্থানের নাম হল— (i) মানালি এবং (ii) শ্রীনগর।
13. কালবৈশাখী ঝড় কী? কালবৈশাখীর আর-এক নাম নরওয়েস্টার কেন?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালের অপরাহ্নে পূর্ব ভারতের বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ এবং এর সংলগ্ন এলাকাসমূহে উত্তর-পশ্চিম দিকে থেকে আগত নিম্নচাপের প্রভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টি ও কোনো কোনো সময় শিলাবৃষ্টিও হয়। একে বলে কালবৈশাখী।
সাধারণত বৈশাখ মাসে এই ঝড়ের আগমন হয় বলে এর নাম কালবৈশাখী। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উত্তর-পশ্চিম (North-West) দিকে থেকে এই ঝড় ছুটে আসে বলে একে ইংরেজিতে বলে (নরওয়েস্টার) Nor' Wester
14. আম্রবৃষ্টি কাকে বলে?
উত্তরঃ দক্ষিণ ভারতের কেরলে গ্রীষ্মকালে বিশেষত মার্চ-মে মাসে যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টি ঘটে, তাকে আম্রবৃষ্টি বলে। নামকরণ: স্বল্প বৃষ্টিপাত হলেও আমের ফলনে সাহায্য করে বলে একে আম্রবৃষ্টি বলে। দক্ষিণ ভারতের আমচাষিদের কাছে আম্রবৃষ্টি আশীর্বাদস্বরূপ।
15. মৌসুমি বিস্ফোরণের সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালের শেষের দিকে বিশেষত মে মাসে উত্তর- পশ্চিম ভারতে (রাজস্থানের মরুভূমি ও সংলগ্ন অঞ্চলে) এক গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এই নিম্নচাপের আকর্ষণে সুদূর ভারত মহাসাগরের উচ্চচাপ বিভক্ত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ করে। এই বায়ু আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আকস্মিকভাবেই ভারতে প্রবেশ করে। এলাকা থেকে আর্দ্র বায়ু আরব সাগরীয় ও বঙ্গোপসাগরীয় শাখায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু নামে পরিচিত। গ্রীষ্মের অসহ্য গরমের মধ্যে আকাশ মেঘে ঢাকা পড়ে। শুরু হয় বজ্রবিদ্যুৎ মোক্ষণ-সহ প্রবল বৃষ্টিপাত। এইভাবে ভারতে বর্ষাকালের সূচনা হয় বলে একে মৌসমি বিস্ফোরণ (burst of monsoon) বলে।
16. মৌসুমি বায়ুর অনিশ্চয়তা বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ ভারতের বার্ষিক বৃষ্টিপাতের শতকরা প্রায় 75 ভাগই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগমনকালীন সময়ে ঘটে। কিন্তু, এই বায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এর অনিশ্চয়তা। কখনও এটি নির্ধারিত সময়ের পরে আসে, কখনও নির্ধারিত সময়ের আগেই ফিরে যায়। কখনও থাকে অত্যন্ত সক্রিয়-একটানা কয়েকদিন প্রবল বৃষ্টিপাত হয়, আবার কখনও একেবারেই দুর্বল। একেই মৌসুমি বায়ুর অনিশ্চয়তা বলে। প্রভাব: মৌসুমি বায়ুর এই অনিশ্চিয়তার জন্য কখনও অতিবৃষ্টির ফলে হয় বন্যা, আবার কখনও অনাবৃষ্টির জন্য হয় খরা।
17. পশ্চিমি ঝঞ্ঝা কী?
উত্তরঃ উত্তর-পশ্চিম ভারতে শীতকালে যে নাতিশীতোয় ঘূর্ণবাতের আগমন ঘটে, তাকে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা বলে। উৎপত্তি: শীতকালে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট এই নাতিশীতোয় ঘূর্ণবাত পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে ইরাক, ইরান, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ অতিক্রম করে উত্তর-পশ্চিম ভারতে পৌঁছায়। এই বায়ু জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশে (মাঝে মাঝে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গেও) প্রবেশ করে বৃষ্টিপাত ও পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত ঘটায়। অপর নাম: পশ্চিম দিক থেকে আসা এই ঘূর্ণবাত শীতের শান্ত আবহাওয়াকে নষ্ট করে দেয় বলে একে পশ্চিমি ঝামেলা নামেও অভিহিত করা হয়।
18. মরুস্থলী নামকরণের কারণ কী?
অথবা, মরুস্থলী বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ 'মরু' শব্দের অর্থ মৃত এবং 'স্বলী' শব্দের অর্থ দেশ অর্থাৎ মৃতের দেশ বা নিষ্প্রাণ অঞ্চল। ভারতের পশ্চিমপ্রান্তে পশ্চিম রাজস্থানে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুব কম। সেইজন্য এখানকার পরিবেশ রুক্ষ, শুষ্ক মরময়-জীবনের অস্তিত্ব প্রায় নেই বললেই চলে। আর এ কারণেই ঊষর নিষ্প্রাণ এই মরু অঞ্চলকে বলা হয় মরুস্থলী বা মৃতের দেশ।
19. জেট বায়ু কী?
উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে গড়ে 10-12 কিমি উচ্চতা দিয়ে এঁকেবেঁকে সর্পিল পথে প্রবাহিত অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন একপ্রকার অতি শীতল বায়ুপ্রবাহের নাম জেট বায়ু। গতিবেগ: এর গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন 90 কিমি থেকে সর্বোচ্চ প্রায় 500 কিমি। শ্রেণিবিভাগ: অবস্থান অনুসারে জেট বায়ুকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- (i) মেরুদেশীয় জেট বায়ু, (ii) উপক্রান্তীয় জেট বায়ু এবং (iii) ক্রান্তীয় জেট বায়ু।
20. ল বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ প্রভৃতি রাজ্যে তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়। সেই সময় ওই রাজ্যগুলির ওপর দিয়ে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে পশ্চিম দিক থেকে যে উন্ন ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হয়, স্থানীয় ভাষায় তাকে লু বলে।
বৈশিষ্ট্যঃ (i) অত্যন্ত উয় (40°-50° সে) এই বায়ুর গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় 30-35 কিমি। (ii) দুপুর ও অপরাহ্নের দিকে এই বায়ুপ্রবাহের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
21. ভারতের কোথায় কোথায় লু বায়ু প্রবাহিত হয়?
উত্তরঃ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি এবং উত্তর গুজরাতে লু বায়ু প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া পূর্ব ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায়ও মাঝে মাঝে লু বায়ু প্রবাহিত হয়।
22. আঁধি কাকে বলে?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে রাজস্থানের মরুভূমি অঞ্চল-সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অংশে যে প্রবল ধূলিঝড় হয়, তাকে আঁধি বলে।
বৈশিষ্ট্যঃ (i) এই ঝড়ের প্রভাবে প্রবল ধুলো বাতাসে ওড়ে। (ii) এই ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় 50-60 কিমি।
23. মালাবার উপকূলে প্রবল বৃষ্টি হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আরব সাগরীয় শাখা মালাবার উপকূলে এসে পৌঁছোনোর পর পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ওপরে উঠে যায় ও প্রবল বৃষ্টির আকারে প্রতিবাত ঢালে অর্থাৎ মালাবার উপকূলে নেমে আসে। এই উপকূলে বছরে 300-500 সেমি বৃষ্টিপাত হয়।