ভাষাবিজ্ঞান ও তার শাখা-প্রশাখা
1. ভাষাবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হল-
(ক) ভাষা নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত চর্চা
(খ) ভাষা নিয়ে সামাজিক বিষয়ে আলোচনা
(গ) বিজ্ঞান বিষয়ে ভাষাচর্চা
(ঘ) সবগুলিই ঠিক।
উত্তৰঃ (ক)
2. লেখা শুরু হয়েছে-
(ক) চার-পাঁচ-ছয় হাজার বছর আগে
(খ) পাঁচ-ছয়-সাত হাজার বছর আগে
(গ) ছয়-সাত-আট হাজার বছর আগে
(ঘ) সাত-আট-নয় হাজার বছর আগে।
3. আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত যে ভাষাচর্চার দ্বারা সম্ভব হয়েছে-
(ক) তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
(খ) বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
(গ) ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান
(ঘ) মনোভাষাবিজ্ঞান।
4. সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাষার যে বিবর্তন হয় এবং সেই বিবর্তনের ফলে যে যে পরিবর্তন ভাষা সংগঠনে দেখা যায় তা নির্দেশ করে-
(ক) তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
(খ) বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
(গ) সমাজ ভাষাবিজ্ঞান
(ঘ) ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান।
5. বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের মতে ভাষার আলোচনার প্রধান বিষয়-
(ক) দুটি
(খ) তিনটি
(গ) চারটি
(ঘ) পাঁচটি।
6. কোনো ব্যক্তি বিশেষ উপভাষার যে বিশেষ রীতি ব্যবহার করে তাকে বলে-
(ক) কোড
(খ) কোড বদল
(গ) রেজিস্টার
(ঘ) দ্বিভাষিকতা।
7. শিশুরা কিভাবে কথা বলে, কিভাবে বাক্য তৈরি করে তার ধারাবাহিক বিশ্লেষণ করে-
(ক) স্নায়ু ভাষাবিজ্ঞান
(খ) নৃভাষাবিজ্ঞান
(গ) মনোভাষাবিজ্ঞান
(ঘ) শৈলীবিজ্ঞান।
8. 'মানুষের মধ্যেই থাকে ভাষা শেখার সামর্থ্য' -মতবাদটি হল-
(ক) চমস্কি-র
(খ) যাস্ক-এর
(গ) অমরসিংহ-এর
(ঘ) পতঞ্জলি-র।
9. মস্তিস্কের বাম গোলার্ধের মধ্যে যেটি পড়ে না তা হল-
(ক) বলা
(খ) লেখা
(গ) বিশ্লেষণ
(ঘ) রোমন্থন।
10. মানব শরীরে ভাষার প্রকৃতি ও গঠনগত অবস্থান নিয়ে আলোচনা করে-
(ক) স্নায়ু ভাষাবিজ্ঞান
(খ) নৃভাষাবিজ্ঞান
(গ) মনোভাষাবিজ্ঞান
(ঘ) শৈলীবিজ্ঞান।